বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রয়াত রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ শেখ হাসিনার পতন দেখে যেতে পারেননি, এটা দুঃখজনক।
হাসিনার পতন
১ জুলাই ২০২৪ সালে শুরু হওয়া কোটা সংস্কার আন্দোলন ৩ আগস্টে সরকার পতনের এক দফা দাবিতে রূপ নেয়। ৪ আগস্ট ঘটে নজিরবিহীন সহিংসতা।
২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পদত্যাগের ইঙ্গিত দিয়ে ৫ আগস্ট ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি ঘোষণা দেন। এদিন শিক্ষার্থীদের সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনে সারাদেশে কমপক্ষে ৯৩ জন নিহত হন।
জুলাই বিপ্লব চলাকালে ভারতীয় এস্টাবলিশমেন্ট শেখ হাসিনার পতনের পূর্বাভাস দিতে ব্যর্থ হয়েছিল বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বিশ্বজুড়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা হচ্ছে। অথচ ভারত শেখ হাসিনার পতন মানতে না পেরে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।
শেখ হাসিনার পতন কোনোভাবেই মানতে না পেরে ভারত রাষ্ট্রীয়ভাবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, ভারত কখনো বৈষম্যের বিরুদ্ধে থাকতে পারেনি। তারা আগ্রাসী ভূমিকায় থাকতে চায়।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট পতন হয় শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের। ওই দিন দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এরপর থেকে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন বলে খবর প্রকাশ করছে বিভিন্ন ভারতীয় সংবাদমাধ্যম।
বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই দেশের মানুষের উপর অত্যাচার করে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের ৪০ দিন উপলক্ষ্যে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) নৈশভোজের আয়োজন করেছে শিক্ষার্থীরা।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এরপর অল্প কিছু জায়গায় সংখ্যালঘুদের বাড়িঘরে হামলার ঘটনা ঘটলেও ভারতীয় কিছু সংবাদমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় সেগুলোকে ফলাও করে প্রকাশ করে। ভিত্তিহীন ছবি-ভিডিওর পাশাপাশি বাংলাদেশের হিন্দুদের ওপর অত্যাচার এবং অনেকেই ভারত চলে যাচ্ছেন বলেও গুজব ছাড়ানো হয়। এসব তথ্য যে মিথ্যা ছিল অবশেষে সেটি স্বীকার করেছেন ভারতের আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।